আর হাতে গুণে কয়েকটা দিন মাত্র তারপরেই চিরকালের মতন জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দা ছেড়ে বিদায় নেবে ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul)। সম্প্রতি এক বছরের যাত্রা সম্পূর্ণ করেছে এই ধারাবাহিক। যার উদযাপন হয় ধারাবাহিকের সেটে। প্রত্যেকেই ভীষণ খুশি আবার প্রত্যেকের মনেই জমাট বেঁধেছে মন খারাপ। তবে শেষটা দর্শকদের আনন্দে ভরিয়ে দিয়ে যাবে এই ধারাবাহিক এমনটাই পরিকল্পনা করেছে তারা।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ধারাবাহিকের খলনায়িকা ময়ূরীকে রক্ত দিয়ে নিজে প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়েছে নায়িকা মেঘ। এতদিনে তার একটি গুরুতর সমস্যার কথা ধরা পড়েছে ডাক্তারদের কাছে। ছোট থেকে সে এত বেশি পরিমাণে রক্ত দিয়ে ফেলেছে যে এই মুহূর্তে আর একবার রক্ত দিলেই তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হবে না। আর সেই কথাটা অনিন্দ্যকে জানায় মিনাক্ষী। এবার অন্য কোন রক্তদাতা খুঁজতেই হবে তাকে। এমন একটা কঠিন অবস্থায় অনিন্দ্যর কাছে ফোন আসে সেই হাসপাতাল থেকে যেখানে ভর্তি রয়েছে ময়ূরী। সেখান থেকে তাকে জানানো হয়, যে ঘরে রক্ত রাখা ছিল সেই ঘরের রেফ্রিজারেটর খারাপ হয়ে গিয়ে সমস্ত রক্ত নষ্ট হয়ে গিয়েছে আর বর্তমানে ময়ূরীকে রক্ত না দিলে তাকে বাঁচানো সম্ভব হবে না।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনিন্দ্য চারিদিকে রক্তের খোঁজ করতে থাকে। বিভিন্ন ব্লাড ব্যাংক থেকে শুরু করে হাসপাতাল, কোথাও ময়ূরীর জন্য রক্ত পায় না অনিন্দ্য। এই মুহূর্তে মেঘ ছাড়া আর কেউ নেই যে ময়ূরীকে রক্ত দিতে পারে। কিন্তু মেঘের থেকেও রক্ত নেওয়া আর সম্ভব নয়। মধুমিতা প্রচন্ড কান্নাকাটি করতে থাকে। সে অনিন্দ্যকে বলে তাহলে কি এই ভাবেই তাদের বড় মেয়ে ময়ূরী হাসপাতালের বেডে শুয়ে মরে যাবে?
অনিন্দ্য মধুমিতাকে বলে, তাদের কাছে আর কোন উপায় নেই। এখন যদি মেঘ রক্ত দেয় তাহলে ওকে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। অর্থাৎ এক মেয়েকে বাঁচাতে গেলে অন্য মেয়েকে হারাতেই হবে তাদের। ভীষণ এক কঠিন পরিস্থিতিতে জর্জরিত হয়ে পড়েছে এই অসহায় মা-বাবা। মীনাক্ষী তাদের সান্তনা দেয় আর বলে এখন এইভাবে উত্তেজিত হয়ে পড়লে আরো মুশকিল। তাদের যেভাবেই হোক রক্ত যোগাড় করে আনতেই হবে। এটাই একমাত্র উপায় ময়ূরীকে বাঁচানোর।
আরও পড়ুনঃ অন্তিম পর্বের আগেই রক্তের অভাবে মারা যাবে ময়ূরী! শত চেষ্টা করেও ময়ূরীকে বাঁচাতে পারবে না মেঘ!
ইতিমধ্যেই জ্ঞান ফিরে এসেছে মেঘের। সে তার বাবাকে ফোন করে জানতে চায় তারা কোথায় কি করছে এবং দিদি কেমন আছে। অনিন্দ্য বুঝতে পারে যদি সে একবার সত্যিটা বলে দেয় তাহলে মেঘ যেভাবেই হোক সেখান থেকে বেরিয়ে এসে ময়ূরীকে রক্ত দেবে। তাই সে মিথ্যা কথা বলে। কিন্তু মেঘের মনের একটা সন্দেহ তৈরি হয়। এদিকে অনিন্দ্য ডাক্তারের সাথে কথা বলে বুঝতে পারে যে এই মুহূর্তে যদি মেঘে রক্ত না দেয় তাহলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মারা যাবে ময়ূরী। কান্নায় ভেঙে পড়ে মধুমিতা।
View this post on Instagram
