নিজের সন্তান যখন নিজের সব থেকে বড় শত্রুতে পরিণত হয় তার থেকে খারাপ বোধয় এই পৃথিবীতে আর কিছু হয় না। জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul) ধারাবাহিকে ঠিক এমনটাই হতে দেখা যায়। অপরাধ করতে করতে দাগি আসামিতে পরিণত হয়েছে ধারাবাহিকের খলনায়িকা ময়ূরী। তবে এইবার অন্যদিকে মোড় নিচ্ছে এই মেগা।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শেষ পর্যন্ত মেঘ আর নীলের বিয়েটা দিতে সক্ষম হয়েছে দুই পরিবার। অনেক বাধা-বিপত্তি ঝড় কিছুই তাদের বিয়ে আটকাতে পারেনি। ময়ূরীর সব পরিকল্পনা ব্যর্থ করে নীল ঘটেছে ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকার। গ্রেফতার হয়েছে ময়ূরী। কিন্তু সে যেখানেই থাকুক না কেন মেঘকে কখনো শান্তিতে থাকতে দেবে না এমনটাই প্রতিজ্ঞা করেছে ময়ূরী।
জেলে গিয়েও সে একটা কথাই শুধুমাত্র ভাবতে থাকে আর সেটা হলো কিভাবে এই জেলের চার দেওয়ালের মধ্যে থেকে বেরিয়ে আবার মেঘের জীবনটাকে ছারখার করে দেওয়া যায়। আর সেটা কোটি এবার নিজের জীবনকে এক চরম বিপদের মুখে ঠেলে দিল ময়ূরী। জেলের এক কয়েদি মহিনীর সাথে এর আগেও একবার ঝামেলায় জড়িয়ে ছিল ময়ূরী। সেদিনই সে বুঝে গিয়েছিলো এই জেল থেকে বেরোতে গেলে তাকে মোহিনীর সাহায্য নিতে হবে। কিন্তু ঠিক কি রকম সাহায্য সেটা হয়তো কল্পনাও করতে পারেনি দর্শকমহল।
ইচ্ছে করে চড় মেরে মোহিনীকে উত্যক্ত করে ময়ূরী। সে খুব ভালো করেই জানতো এরকম একটা কাজ করলে মোহিনী তাকে ছেড়ে দেবে না। আর ঠিক সেটাই হলো। মোহিনী ময়ূরীকে এত বাজে ভাবে মারধর করে যে তার আর উঠে দাঁড়ানোর ক্ষমতা থাকে না ফলে তাকে বাধ্য হয়ে হসপিটালে ভর্তি করতে হয়। পুলিশ অফিসার এই সমস্ত ঘটনায় জানায় অনিন্দ্যকে। সবটা শুনে এসে বুঝতে পারে ময়ূরী ইচ্ছে করে এসব করেছে যাতে সে বোঝেল থেকে বেরোতে পারে এবং মেঘের বৌভাতে নষ্ট করতে পারে।
আরো পড়ুন: বাব্বা কি প্রেম! সোনার সংসারের অ্যাওয়ার্ড হাতে দাঁড়িয়ে কৌশাম্বি, প্রেমিকার সাফল্যে উচ্ছ্বসিত “উচ্ছেবাবু” আদৃত!
ময়ূরীর সমস্ত চালাকি ধরে ফেলে তার বাবা অনিন্দ্য। এরপর মেঘ যখন ফোন করে দিদি ভাইয়ের খোঁজ নেয় এবং সব ছেড়ে হসপিটালে দিদি ভাইয়ের কাছে আসার কথা বলে তখন অনিন্দ্য মেঘকে সমস্ত সত্যিটা আগের থেকে জানিয়ে সাবধান করে দেয়। নেট বুঝা যায় আবারও তার জীবনে ঝড় তোলার চেষ্টা করছে ময়ূরী। যদি সত্যিই মেঘের বাবা অঘটন ঘটার আগেই মেঘকে আটকায় তাহলে কেমন লাগবে দর্শকদের?
