জি বাংলার (Zee Bangla) ‘নিম ফুলের মধু’ (Neem Phooler Madhu) ধারাবাহিকে চলছে জমজমাট পর্ব। ঈশাকে উচিত শিক্ষা দিতে মাস্টারপ্ল্যান করেছে পর্ণা-সৃজন। একের পর এক ষড়যন্ত্রে করে পর্ণার জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে ঈশা। পর্ণা -সৃজনের অনেক কষ্ট করে তৈরি ‘শাড়ির কথা’র গুদামে আগুন ধরায় সে। দত্ত পরিবারের চোখের সামনে দাউদাউ করে জ্বলে যায় হাজার হাজার শাড়ি। পর্ণা প্রাণপণ চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা করতে পারেনি।
তবে ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা জানত, এসবের পিছনে একমাত্র হাত রয়েছে ঈশার। কারণ সে চায়না যে দত্ত পরিবার সুখে থাকুক। তবে এখানেও থামেনি ঈশা। বাজুরিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়ে দত্ত বাড়িকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার বন্দোবস্ত করেছিল সে। পর্ণা সৃজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করতে অনুভবকে নিয়ে পর্ণা-সৃজনের সম্পর্কে ভাঙন ধরানো থেকে সৃজনকে চোর বদনাম দিয়েছে। এমনকি দত্ত পরিবারের নতুন ব্যবসায় সমস্যা পাকানো, সবেতেই সিদ্ধহস্ত খলনায়িকা ঈশা।
তবে এবার পর্ণা-সৃজনের মোক্ষম পরিকল্পনা সফল হয়েছে। ইশাকে হাতেনাতে ধরেছে তারা। আর এতে তাদের সাহায্য করেছে পর্ণা বাহিনী। দত্তবাড়ির সকলের সামনে অশান্তির নাটক করছে তাঁরা। অশান্তির জেরে এক কাপড়ে দত্তবাড়ি ছেড়েছে পর্ণা। তবে পরের দিন ফিরে এসে সৃজনের সে শাড়ির কথার অর্ধেক মালিকানার দাবি করেছে সে। সৃজন রাগ করলেও, এ সবই প্ল্যানের অংশ।
আসন্ন পর্বতে দেখা যাবে, কালিপটকার মালা পড়ে ঈশাকে চেয়ারে বসিয়ে রেখেছে দত্তবাড়ির সকলে। ঈশা সবার সামনে স্বীকারোক্তি দিয়েছে আজ অবধি পর্ণা আর সৃজনকে আলাদা করতে সে কী কী নোংরা খেলায় মেতেছে। স্বীকারোক্তির মোবাইলে ভিডিও করে নেয় বর্ষা। তখনই সেখানে এসে হাজির হয় পুলিশ। পর্ণা পুলিশকে বলে তাদের কাছে সব সাক্ষ্য প্রমাণ রয়েছে। পুলিশ যেন ঈশাকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ যখন ঈশাকে নিয়ে যাচ্ছে তখন পিছনে ফিরে পর্ণা আর সৃজনের দিকে রক্তচক্ষু নিয়ে তাকায় ঈশা। মনে মনে বলে, সে ফিরবে। আর ফের প্রতিশোধ নেবে পর্ণার উপর। এখন দেখার ঈশা কী জামিন পেয়ে ফের নোংরা খেলায় মাতবে? নাকি পর্ণা আর সৃজনের জীবন থেকে চিরতরে মিটে যাবে ঈশার অস্তিত্ব।
